অনলাইন ডেস্ক : সিঙ্গাপুরে জুবিন গার্গের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে নানা জল্পনার মাঝে মুখ খুললেন নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালের (এনইআইএফ) মুখ্য আয়োজক শ্যামকানু মহন্ত। তাঁর স্পষ্ট দাবি, জুবিন শুধুমাত্র উৎসবের জন্য আসেননি, বিশ্রাম নিতেও এসেছিলেন। সব কিছুই হয়েছিল তাঁর স্বেচ্ছায়।শুক্রবার শুরু হওয়ার কথা ছিল তিন দিনের উৎসব। কিন্তু তার আগেই গায়ক সমুদ্রস্নানে নামেন জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট ছাড়াই। সেখানেই ঘটে দুর্ঘটনা। মহন্ত জানান, জুবিন নিজে থেকে সিঙ্গাপুরে আসতে চেয়েছিলেন। তাই উৎসবের দলে ছিল না তাঁর পুরো টিম। কেবল ছিলেন তুতো-ভাই সন্দীপন গার্গ, ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও এক সঙ্গীতশিল্পী শেখরজ্যোতি গোস্বামী। শিল্পীকে জোর করে গান গাওয়ানো হয়েছে— এই অভিযোগও নস্যাৎ করেন মহন্ত। তাঁর কথায়, আমরা কখনও জুবিনকে চাপ দিইনি। তিনি সব সময়ই আমাদের অনুষ্ঠান স্বেচ্ছায় করতেন, দেশের ভেতরে হোক বা বাইরে।আয়োজকের দাবি, জুবিনের মৃত্যুদিনে তাঁদের টিম সভা করছিল ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে, এক হোটেলে। সমুদ্রযাত্রার পরিকল্পনা সম্পর্কেও তারা কিছুই জানতেন না। এনইআইএফ নিয়ে আরও এক বিতর্কের জবাবও দেন মহন্ত। তাঁর দাবি, এটা নিছক ব্যবসা নয়। উৎসবের উদ্দেশ্য পূর্বোত্তরের শিল্প, সংস্কৃতি, কৃষিপণ্য ও পর্যটনকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে পৌঁছে দেওয়া। থাইল্যান্ড উৎসবের পরই গুয়াহাটি–ব্যাংকক সরাসরি বিমান চালু হয়েছে, জানান তিনি। ২০১৯ সালে ব্যাংককে শুরু হয়েছিল এই উৎসব। পরে ভিয়েতনাম, আবার ব্যাংকক— এ বার সিঙ্গাপুরে আয়োজিত হওয়ার কথা ছিল। এবারের আসর মিলিত হতো ভারত–সিঙ্গাপুর কূটনৈতিক সম্পর্কের ৬০ বছরপূর্তি ও ভারত–আসিয়ান পর্যটন বর্ষের সঙ্গে। কিন্তু জুবিনের চলে যাওয়া সেই আসর থমকে দিল।





