অনলাইন ডেস্ক : দ্বাদশ শ্রেণীর চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষায় এডভান্স বাংলায় ৯৯ পেয়ে রাজ্যের সেরা হয়েছে শিলচর রামানুজ গুপ্ত সিনিয়র সেকেন্ডারি বিদ্যালয়ের বৈশালী দাস। সে জানিয়েছে বাংলার নিয়েই পড়াশোনা করতে চায় এবং ভবিষ্যতে খুব হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বৈশালী ৮৪ শতাংশ নম্বর পেয়েছে এবং এবছর রামানুজ গুপ্ত কলেজের একমাত্র রাজ্যসেরা নম্বর পেয়েছে সে এবং জানিয়েছে এই সাফল্যের পেছনে অবদান তার শিক্ষক তমজিত সাহা এবং মা-বাবার। তার বাবা চম্পক দাস একজন শিক্ষক এবং মা মঞ্জুরী দাসও শিক্ষকতা করেন। বাড়িতে একটা পড়াশোনার পরিবেশ রয়েছে এবং বৈশালী নিজেও পড়াশোনার প্রতি বরাবরই আগ্রহী। পরীক্ষার সাফল্যের বিষয়ে সাময়িক প্রসঙ্গের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সে জানায়, বাংলা ভাষার প্রতি তার আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই ছিল। সেই ভালোবাসা থেকেই পড়াশোনা করেছে এবং রাজ্যের সেরা নম্বর পেয়েছে। আলাদা করে সেরা নম্বর পাওয়ার স্বপ্ন কখনো দেখেনি। তবে বাংলার প্রতি তার আগ্রহে খামতি ছিল না। ভবিষ্যতের স্বপ্ন নিয়ে তার বয়ান, ‘আমার মা-বাবা এবং শিক্ষক তমজিত সাহা আমার কাছে আদর্শ। তাদের অনুপ্রেরণায় আমি শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখি। এবার ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছি এবং আগামীতে আরও ভালো রেজাল্ট করতে চাই। স্নাতক স্নাতক উত্তর এবং গবেষণা, পুরোটা শেষ করে শিক্ষকতাই নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।’ রামানুজ গুপ্ত সিনিয়র সেকেন্ডারি বিদ্যালয়ে এবার ৯৫ শতাংশ পাশের হার এবং ৬৯টি লেটার এসেছে। এরমধ্যে একমাত্র রাজ্য সেরা নম্বর এনেছে বৈশালী। এছাড়া অর্থনীতিতে ৯২ নম্বর পেয়েছে একটি ছাত্র। তমোজিত সাহা বৈশালীর এই সাফল্যে অত্যন্ত আনন্দিত এবং তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।




