অনলাইন ডেস্ক : শিলচর জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারে জোর চর্চা শুরু হয়েছে ক্রীড়া মহলে। ডিএসএ-র সংবিধান অনুযায়ী একটি পরিচালন সমিতির কার্যকাল থাকে দুই বছর। যেটা বর্তমান কমিটি গত ১৫ এপ্রিলই অতিক্রম করে নিয়েছে। ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল শেষ বার শিলচর ডিএসএ-র দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছিল। সেদিন যে পরিচালন সমিতি গঠিত হয়েছিল,সেই পরিচালন কমিটিই এখনও শাসন কাল চালিয়ে যাচ্ছে। হিসেব মতে বর্ধিত ১৩ মাস ছাড়িয়ে ফেলেছে এই কমিটি। গত ১৫ মে জেলার বর্ষীয়ান ক্রীড়া সংগঠক তথা টাউন ক্লাবের সভাপতি দীলিপরঞ্জন নন্দী বর্তমান কমিটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে জোড়াল প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। টাউন ক্লাব সভাপতি সাংবাদিকদের জানান, ডিএসএ-র সংবিধানের ১০ এ অনুচ্ছেদে আছে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা করে কমিটি গঠনের কথাটি। যার মেয়াদ থাকবে দুই বছর। এরপরও আছে, মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে ক্যালেন্ডার বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বরের ভিতর সেরে নিতে হবে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা। এবার জেলা সংস্থা গুলির অভিভাবক অসম অলিম্পিক সংস্থা নির্দেশ দিয়েও যেটা পারেনি। টাউন ক্লাব সভাপতির মূল প্রশ্নই ছিল, সময় মত বিজিএম হয়নি ঠিক আছে, তাইলে সংবিধানে যেখানে ক্যালেন্ডার বর্ষের শেষ দিনকে ধার্য্য করেই দিয়েছে তবে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কিভাবে চলছে লেনদেন। সচিব অতনু ভট্টাচার্যকে বহিস্কার করা হয়েছে অনেক দিন হয়ে গেছে। তার কক্ষে বর্তমানে তালা ঝুলছে। ভারপ্রাপ্ত সচিব দেবাশিস সোমকেও টাকা লেনদেনের অনুমতি দেয়নি সংস্থার গভর্নিং বডি। বাকি থাকলেন সভাপতি শিবব্রত দত্ত ও কোষাধ্যক্ষ বুদ্ধদেব চৌধুরী। কর্মচারীদের মাসিক বেতন সহ যাবতীয় খরচ কিভাবে চলছে ? ক্রীড়া মহলে এখন প্রশ্ন এটাই।





