শিলচর, ১৯ অক্টবরে : শিলচরে পুজোদর্শনে এসে শুভেচ্ছা বিনিময় মুখ্যমন্ত্রীর
শিলচরে পূজা দর্শনে এসে শুভেচ্ছা বার্তা বিনিময় করলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার মহাষ্টমীর দিনে মুখ্যমন্ত্রী শিলচরে এসে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে গিয়ে দেবীদর্শন করেন। এদিন গুয়াহাটি থেকে এসে শিলচর (কুম্ভীর গ্রাম) বিমানবন্দরে অবতরণের পর
মুখ্যমন্ত্রী সড়কপথে শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।পথে উধারবন্দে কাঁচা কান্তি মন্দিরে দেবী দর্শনের পর
পৌঁছান শিলচরে। শিলচরে পৌঁছে প্রথমেই যান
বিলপার মিতালী সংঘের মন্ডপে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিলপারেরই দূর্গাবাড়ী,সোনাই রোডের তরুণ ক্লাব, লিংক রোড শ্রীপল্লী পূজো কমিটি,হাইলাকান্দি রোডে
অল মেডিকেল সেলস পিপলস পূজো কমিটির মন্ডপ পরিদর্শন শেষে যান রামকৃষ্ণ মিশনে। সেখানে দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে যান তারাপুরে এস এস রাইস মিল পুজো কমিটির মন্ডপে,সেখান থেকে সাংসদ সুস্মিতা দেবের বাড়ির পুজোয়। সুস্মিতার বাড়িতে দেবিদর্শনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন তার অসুস্থ মা প্রাক্তন বিধায়ক বিথীকা দেবের। সুস্মিতা দেবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান টাউন ক্লাব ময়দানে
সাংস্কৃতিক চেতনা-ন্যাসের পূজা মণ্ডপে। এসব কার্যসূচির মধ্যে কেটে যায় চার ঘণ্টারও অধিক সময়। মুখ্যমন্ত্রী যখন সাংস্কৃতিক চেতনা ন্যাসের মন্ডপে দেবী দর্শন সেরে বের হন ঘড়ির কাঁটায় তখন বিকেল প্রায় ৪টা। সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে বিমানবন্দরে যাবার পথে শালগঙ্গায় কালাচাঁদ আশ্রমের সামনে আয়োজিত পুজোয়ও দেবী দর্শন করেন। এরপর বিমানবন্দরে পৌঁছে বিমানে রওয়ানা হয়ে যান গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে।।
এদিন পুজাদর্শনে এসে মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতির কচকচানিতে যেতে চাননি। জানান, বিভিন্ন মণ্ডপে
কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি
দেবীর কাছে সবার মঙ্গলের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করেছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের সফরে আগাগোড়া তার সঙ্গে ছিলেন দুই মন্ত্রী কৌশিক রায় ও কৃষ্ণেন্দু পাল, সাংসদ কনাদ পুরকায়স্থ, বিধায়ক রাজদীপ রায় ও কিশোর নাথ সহ অন্যান্যরা।



