অনলাইন ডেস্ক : গত দু’মাসে তালায় জং ধরেছে। তবে বেশ কসরতের পর শিলচর ডিএসএ-র সচিবের কক্ষ খোলা গেছে। হ্যাঁ গত দু’মাস কক্ষের বাইরে কাটিয়ে শনিবার দুপুরে নিজের চেয়ারে গা এলিয়ে বসলেন শিলচর ডিএসএ-র ‘বহিষ্কৃত ‘ সচিব অতনু ভট্টাচার্য। বসেই জানালেন, তিনি আর আগের মত ভুল করতে চাননা। মলমাসে দায়িত্ব নিয়ে হোঁচট খেতে খেতে চলতে হয়েছে। তাই এবার পূর্ণিমা ছাড়ার আগেই চেয়ারে এসে বসেছেন। ১.৩৯ মিনিটে পূর্ণিমা ছেড়ে যাবে তার আগেই চলে আসেন সংস্থায়। তবে বহিষ্কৃত শব্দটি তাঁর নামের পাশ থেকে শুক্রবারই সরিয়ে দিয়েছে শিলচর আদালতের সিভিল জাজ সিনিয়র ডিভিশন ২। প্রথমে শোকজ, এরপর ২১ জন পদাধিকারীর দাবির ভিত্তিতে সংস্থার গভর্নিং বডি সচিব অতনু ভট্টাচার্যকে আজীবন বহিষ্কার করেছিল। এরপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের কাছে অতনু যে আবেদন রেখেছিলেন তার তিনটি আবেদনই খারিজ করে দিয়েছিল আদালত। এরপর গত সোমবার ফের স্থগিতাদেশ চেয়ে সিনিয়র ডিভিশন ২ তে আবেদন রাখেন অতনু। এবার অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ পেয়ে যান অতনু। সাফল্যের হাসি মুখে এনে শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ‘বিতর্কিত’ সচিব অতনু ভট্টাচার্য। বলেন, আদালতের একটি প্রশ্নতেই বিদ্ধ হয়েছে ডিএসএ পক্ষ। সেটা হল যাচাই না করে তাঁকে কি ভাবে শো-কজ করা হল। এরপর সাংবাদিকদের কাছে তার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও জানিয়েদেন। বলেন, ‘ আমি এখনও মনে করি যা ঘটেছে সেটা ছিল একটা দুর্ঘটনা। এরপর শহরের ক্রীড়ামোদীরা যেভাবে আমাকে সহযোগিতা করেছেন সেটা ভুলার নয়। তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, আজ তাদের জন্যই আমি পুণরায় সচিবের দায়িত্ব সামলানোর সুযোগ পেয়েছি। এমন কাজ কখনই করবোনা যা ডিএসএ-র পক্ষে ক্ষতিকর হয়। আমি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করবোনা। ‘
অতনু বলেন, তার দুটি স্বপ্ন ছিল টেবিল টেনিসের ইনডোর এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জায়গা, দুটার কাজই প্রায় সম্পূর্ণ। সেগুলোর উদ্বোধন নিজের হাতে করতে চান অতনু।






