অনলাইন ডেস্ক : জয়পুর থানা এলাকার কনকপুর প্রথম খন্ড,মঙ্গলপুর গ্রামে রহস্যজনক ভাবে এক খুনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। রবিবার রাতে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এক যুবকের দায়ের কোপে ঘুমের ঘোরে প্রাণ গেল এক যুবতীর। খুন করে পালাতে পারেনি এক ই গ্রামের খুনি যুবক। গ্রামবাসীর হাতে ধরা পড়ে বর্তমানে জয়পুর পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ঘাতক যুবক। ধৃত যুবক মঙ্গলপুর গ্রামের খলিল আহমদ চৌধুরীর পুত্র সাবির চৌধুরী, বয়স ২৩ বছর। সে একই গ্রামের সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর যুবতী কন্যা আরজিনা বেগম (২২) কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিবরনে জানা যায় হত আরজিনা বেগম রবিবার রাতে নিজের ঘরে ঘুমেই ছিলেন। রাত বারোটা নাগাদ তার দুই বোন জাসমিন বেগম ও রুবিনা বেগম হঠাৎ দস্তাদস্তির আওয়াজ শুনে ঘুম থেকে উঠে দেখেন ঘরে একটা মানুষ হাতে দা নিয়ে তাদের বোনকে কোপ মারছে।তখন চিৎকার শুরু করলে ঐ যুবক পালাতে থাকে। কিন্তু প্রতিবেশী লোকজন উঠে একটি যুবক দৌড়ে পালাতে দেখে পিছু ধাওয়া করে তাকে পাকড়াও করতে সক্ষম হন।এদিকে আরজিনা বেগম রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করছে। কি করবেন ভাবতে ভাবতেই মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে আরজিনা বেগমের মৃত্যু ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় জয়পুর থানায়।জয়পুর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধৃত যুবককে গ্রেফতার এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কি কারনে এই যুবক ঘুমের ঘোরে যুবতীকে কুপিয়ে হত্যা করলো তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। আজ সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে ছুটে যান লক্ষীপুর সমজেলা পুলিশ আধিকারিক পৃথ্বীরাজ রাজখোয়া সহ ফরেনসিক টিম। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত রক্তমাখা দা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর ধৃত যুবক আরও দুই যুবক তার সঙ্গে ছিল বলে উল্লেখ করেছে। পুলিশ সেই দুজন যুবককে আটক করে জেরা অব্যাহত রেখেছে। তাদের নাম এখনও প্রকাশ করতে রাজি হয়নি পুলিশ।তারা আদৌও ঘটনায় জড়িত কিনা তদন্ত চলছে বলে জানায় পুলিশ। উল্লেখ্য প্রেম বা অন্য কোন কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যুবতীর উপর দা দিয়ে হামলা করে ঘাতক যুবকটি খুনের ঘটনা সংঘটিত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




