অনলাইন ডেস্ক : এবার লক্ষ্মীপুরের ১৯টি গ্রাম ডিমাহাসাও-এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে সরব হলেন রাজ্যসভা সাংসদ সুস্মিতা পুরকায়স্থ। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা শুধু লক্ষীপুর বিধানসভা এলাকারই নয়, গোটা কাছাড় তথা বরাক উপত্যকার ভৌগলিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট প্রভাব পড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বুধবার কাছাড়ের জেলা কমিশনারকে লেখা এক চিঠিতে এভাবে অভিমত ব্যক্ত করে সুস্মিতা উল্লেখ করেছেন, ব্যাপারটাকে মোটেই হালকাভাবে নেওয়া যায় না।। ভৌগলিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি এতে গ্রামগুলোর বাসিন্দারা অস্তিত্ব নিয়েও সংকটে পড়বেন। কিন্তু এ নিয়ে প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিচ্ছে তা মোটেই স্পষ্ট নয়। এসম্পর্কে জেলাবাসী স্পষ্টভাবে কিছুই জানতে পারছেন না। তাই গোটা প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে তাকে জানানোর জন্য জেলা কমিশনারকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
প্রসঙ্গত কিছু ডিমাসা সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে লক্ষ্মীপুর বিধানসভা এলাকার কুমাছড়া, কালিনগর, দলই ছড়া সহ আশপাশের ১৯টি গ্রাম ডিমাহাসাও -এ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে এজেলার বিভিন্ন সংগঠন। সংগঠনগুলো এ নিয়ে বড় ধরনের আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানা গেছে।
গ্রামগুলোর বাসিন্দা অ- ডিমাসা লোকেদের অভিযোগ, ডিমা হাসাওয়ে সন্নিবিষ্ট হলে তারা অনেক অধিকার ই হারিয়ে ফেলবেন। অ ডিমাশাদের পাশাপাশি, সেসব গ্রামের অনেক ডিমাসা জনগোষ্ঠীর লোকেরাও ভৌগোলিক দিক বিবেচনা করে ডিমাহাসাও এর সঙ্গে সংযুক্ত হতে চাইছেন না। তাদের বক্তব্য, এসব গ্রাম থেকে ডিমাহাসাও এর জেলা সদর হাফলং- এ যাওয়া আসাটা অনেক ব্যয় এবং সময় সাপেক্ষ। সেই তুলনায় কাছাড়ে থেকে যাওয়াটাই তাদের পক্ষে অনেক সুবিধা জনক।






