অনলাইন ডেস্ক : বিসর্জনে দুর্ঘটনা এড়াতে সকাল ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছে শিলচর পুরনিগম। সোমবার এই সময়সীমা পার হওয়ার পরও ১৫-২০টি প্রতিমা বিসর্জনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় সদরঘাটে। কিন্তু গেট বন্ধ দেখে সৃষ্টি হয় উত্তেজনার।
এদিন বিকেল থেকে সদরঘাটে প্রচুর মনসা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। এরপর আগে জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬ টায় পুরসভার কর্মীরা ঘাটের গেট বন্ধ করে দেন। কিন্তু এরপরও দেখা যায় একের পর এক প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিসর্জনের জন্য। যারা প্রতিমা নিয়ে গিয়েছিলেন গেট বন্ধ দেখে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। শুরু হয় কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে বাক বিতন্ডা। পুলিশ ও পুরকর্মীদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, এদিন আর প্রতিমা বিসর্জন দিতে দেওয়া হবে না। এতে উত্তেজনার মাত্রা আরো বেড়ে যায়। পুরনিগম ৬ টা থেকে ৬ টা বিসর্জনের সময়সীমা নির্ধারণ করলেও এনিয়ে যথাযথ প্রচার হয়নি বলে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য যাওয়া লোকেদের মধ্যে থেকে অভিযোগ ওঠে। বলা হয়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সমগ্র শহর জুড়ে মাইকে প্রচার চালানো উচিত ছিল।
বেশ কিছুক্ষণ এভাবে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে অবশ্য রাত ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ গেট খুলে দেওয়া হয়। এরপর নিরাপত্তা রক্ষীদের উপস্থিতিতে শুরু হয় বিসর্জন।
পুর নিগমের এক সূত্র জানান, কিছুদিন আগেই সদরঘাটে রাতে প্রতিমা ভাসানে গিয়ে নদীর জলে তলিয়ে গেছেন একজন। দূর্গা পূজার সময় রাতে ভাসানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। মনসা পূজায় এই ব্যবস্থা থাকে না । তাই দুর্ঘটনা এড়াতে আলো থাকতে থাকতেই ভাসান সেরে নেওয়ার জন্য সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ।




