অনলাইন ডেস্ক : শুক্রবার বিকেলে খুব বেশি হলে ঘন্টাখানেকের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন শিলচর সুভাষনগর নেতাজিরোডের বাসিন্দা অনির্বাণ চক্রবর্তী।এর মধ্যেই বন্ধ বাড়ির জানালার গ্রীল ও দরজা ভেঙ্গে হাতিয়ে নেওয়া হল প্রচুর স্বর্ণালংকার সহ নগদ অর্থ। দিনদুপুরে এমন দুঃসাহসিক চুরির ঘটনাকে ঘিরে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আতঙ্কের। সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও।
জানা গেছে,অনির্বাণ বাবুর বোনের বাড়ি মরিয়ানিতে বাসন্তী পূজো চলছে। তার বাবা অনুপ কুমার চক্রবর্তী ও মা কিছুদিন আগে সেখানে গেছেন। শুক্রবার রাতের ট্রেনে অনির্বাণবাবুরও মরিয়ানির উদ্দেশ্যে রওয়ান হওয়ার কথা ছিল।তাই বিকেলে তিনি তাদের গাড়ি শহরের ন্যাশনাল হাইওয়ে এলাকার বাসিন্দা তার মামা শংকর অধিকারীর বাড়িতে রেখে আসার জন্য যান।ঘরের দরজা-জানালা সব বন্ধ করে
গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে মামার বাড়িতে রেখে ঘন্টাখানেকের মধ্যেই তিনি ফিরে আসেন।বাড়ি ফিরে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই চমকে ওঠেন তিনি।দেখতে পান ঘরের ভেতরে দুটি স্টিলের আলমারি ভাঙ্গা এবং জিনিসপত্র রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।দেখা যায় ভেতরের এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যাওয়ার একটি দরজা এবং একেবারে পেছনে থাকা রান্না ঘরের জানালার গ্রিলও ভাঙ্গা। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় শাবল,দা ইত্যাদি সহ বেশ কয়েকটি চাবিও। অনির্বাণ বাবুর মামা শংকর অধিকারী জানিয়েছেন, স্টিলের আলমারি দুটোর লকার ভেঙ্গে চুরি করা হয়েছে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ও নগদ ২৫ হাজার টাকা।
চুরি করতে আসা চোর বা চোরের দল যেভাবে তাদের ব্যবহৃত শাবল,দা ও কয়েকটি চাবি ফেলে গেছে এতে অনুমান করা হচ্ছে অনির্বাণ বাবু যখন বাড়িতে ফেরেন তখনও ঘরের ভেতরে ছিল তারা।বাইরে অনির্বাণ বাবুর উপস্থিতি টের পেয়ে তড়িঘড়ি করে এসব ফেলে চুরি করা সামগ্রী নিয়ে পেছনের গ্রিল ভাঙ্গা জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনা নিয়ে অনির্বাণ বাবুর পক্ষ থেকে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এ পর্যন্ত ধরপাড়ের কোনও খবর নেই।





