অনলাইন ডেস্ক : জোর ধাক্কা খেলেন বিজেপি নেত্রী মৃন স্বর্ণকার। তার তপশিলি জাতির শংসাপত্র বাতিল করার জন্য সুপারিশ করেছে রাজ্য পর্যায়ের স্ক্রুটিনি কমিটি।
বিজেপি রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি মূন স্বর্ণকার দলীয় স্তরে কাছাড়ের “প্রভারী”র দায়িত্বেও রয়েছেন। এছাড়া বিগত দিনে তিনি ছিলেন দলের তপশিলি মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদেও। মূলত শিবসাগর জেলার ডিমৌ দেহাজানের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে তার ঠিকানা গুয়াহাটি জয়নগর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি হাইলাকান্দি জেলার আলগাপুর বিধানসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন। দলের তপশিলি মোর্চার রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন তার শংসাপত্র নিয়ে অভিযোগ উঠে। তপশিলি জাতি ভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও কারসাজি করে শংসাপত্র নিয়ে অনৈতিকভাবে বিভিন্ন সুবিধা আদায় করছেন বলে অভিযোগ এনে সিআইডির কাছে অভিযোগ করেন শিবসাগরের এক বাসিন্দা। এর ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে সিআইডির পক্ষ থেকে রিপোর্ট দেওয়া হয় মূন বাস্তবিকই তপশিলি জাতিভুক্ত নন। এরপর ব্যাপারটা গড়ায় তপশিলি জাতির রাজ্য পর্যায়ের স্ক্রুটিনি কমিটির দরবারে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর স্ক্রুটিনি কমিটির চেয়ারম্যান রাজ্য সরকারের সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন বিভাগের বিশেষ সচিব কে জে হিলালী সহ অন্য ৩ সদস্য ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার জন্য বৈঠকে বসেন। অন্য তিন সদস্য হলেন রাজ্য সরকারের তপশিলি এবং অন্যান্য পশ্চাৎপদ শ্রেণীর উন্নয়ন বিভাগের সঞ্চালক কুলশ্রী নাথ, সিআইডির এসপি সুধাকর সিং এবং অসম ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ ফর ট্রাইবাল অ্যান্ড সিডিউল কাস্ট এর যুগ্ম সঞ্চালক গণেশচন্দ্র কাকতি। এই কমিটি বৈঠকে বসে সবকিছু খতিয়ে দেখার পর, মূন স্বর্ণকার অনূসূচিত জাতিভুক্ত নন বলে সিআইডি যে রিপোর্ট দিয়েছে তা যথাযথ বলে মত ব্যক্ত করে। বলা হয়, মূন স্বর্ণকার নিজেকে তপশিলি জাতিভুক্ত বলে প্রতিপন্ন করতে কমিটির কাছে যেসব অতিরিক্ত নথিপত্র পেশ করেছেন সেসব মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। এভাবে অভিমত ব্যক্ত করে তার তপশিলি জাতির শংসাপত্র বাতিল করার জন্য সুপারিশ করেছে কমিটি।





